অভিযুক্ত ওবায়দুল গ্রেপ্তার

বুধবার সকাল ৮টার দিকে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় বাজার থেকে রাজধানীর রমনা জোনের এডিসি আজিমুল হকের নেতৃত্বে র‌্যাব-পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিসা হত্যায় একমাত্র আসামি বখাটে ওবায়দুল হককে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওবায়দুল হককে ঢাকা নিয়ে আসা হচ্ছে। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডোমার থানা চত্বরে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান ও র‌্যাবের কমান্ডার মো. আতিক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে ওবায়দুলের বোন ও ভগ্নিপতিকে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা থেকে আটক করে পুলিশ। আটকরা হলেন ওবায়দুলের বোন খাদিজা বেগম (৩৬) ও ভগ্নিপতি খাদেমুল ইসলাম (৪৬)। ওবায়দুল উপজেলার মিরাটঙ্গী গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে।

গত ২৪ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্কুলের সামনে ফুটওভারব্রিজে রক্তাক্ত অবস্থায় রিসাকে পাওয়া যায়। স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পেটের বাঁ পাশে ছুরির আঘাতে নাড়ি বের হয়ে যায় তার। ঘটনার পরদিন রিসার মা বাদী হয়ে ওবায়দুলকে একমাত্র আসামি করে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন।

গত ২৮ আগস্ট সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিসার মৃত্যু হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ছয় মাস আগে মায়ের (তানিয়া হোসেন) সঙ্গে ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্সে বৈশাখী টেইলার্সে যায় রিসা। সেখানে একটি ড্রেস সেলাই করতে দেয়। দোকানের রিসিটে বাসার ঠিকানা ও মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়া হয়। রিসিট থেকে মোবাইল ফোন নম্বর নিয়ে ওবায়দুল ফোনে রিসাকে বিরক্ত করত। স্কুলে যাতায়াত করার সময় রিসাকে উত্ত্যক্ত করত।

সুরাইয়া আক্তার রিসার বাবার নাম রমজান আলী। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। পুরান ঢাকায় সিদ্দিক বাজারে ১০৪ নম্বর বাড়িতে তারা থাকেন।

You Might Also Like