অপহরণের ৪১ দিন পর শীর্ষ সন্ত্রাসীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার চরাঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী হামিদুল ওরফে হামিদ’র গলাকাটা বস্তাবন্দী গলিত লাশ উদ্ধার করেছে ভেড়ামারা থানা পুলিশ।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে পদ্মা নদীর রায়টা ঘাট এলাকার পানির নীচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

হামিদ’র স্ত্রী এবং ভাই মতি সর্দ্দার নিহতের পরিধানের পোষাক দেখে নিহত হামিদ’র লাশ শনাক্ত করে। হামিদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী, নাটোর, লালপুর থানায় হত্যা সহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে উপজেলার রায়টা এলাকার আহম্মদ’র পুত্র।

জানা গেছে, প্রায় ৪০ দিন আগে নিজ এলাকা থেকেই অপহরন হয় চরাঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী হামিদ। এরপর তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। গত ২১ মার্চ ২০১৫ হামিদ’র ভাই মতি সর্দ্দার বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় একটি অপহরন পূর্ব হত্যা চেষ্টার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে। যার নং ০৪।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার রাতে একটি নৌকা পদ্মা নদীতে ডুবে গেলে সোমবার সকালে স্থানীয়রা নৌকা খুঁজতে পদ্মা নদীতে নামে। দুপুর ১২টার দিকে পাথর চাপা দেওয়া একটি বস্তা পানির নীচ থেকে তারা উদ্ধার করে। বস্তার ভিতর থেকে একটি গলাকাটা গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলার বাদী এবং নিহত হামিদের ভাই মতি সর্দ্দার জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত লাশই হামিদের। তার পরিধানের জামা কাপড়, চাদর, সেন্ডেল দেখে আমরা লাশ শনাক্ত করেছি।

ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন খান জানিয়েছেন, পদ্মা নদীর পানির নীচ থেকে বস্তা বন্দী গলিত একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা লাশের পরিধানের জামা কাপড় দেখে হামিদের লাশ বলে ধারনা করছে। পরে ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ টেষ্ট’র মাধ্যমে লাশের সঠিক পরিচয় জানা যাবে।

You Might Also Like