হোম » অনুসন্ধানে গতি আনতে গোয়েন্দা ইউনিট হচ্ছে দুদকে

অনুসন্ধানে গতি আনতে গোয়েন্দা ইউনিট হচ্ছে দুদকে

ঢাকা অফিস- Wednesday, April 5th, 2017

অনুসন্ধানে গতি আনতে নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিট হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। দুদকের পঞ্চবার্ষিকী কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বস্তবায়নের অগ্রাধিকার তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দুদক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এ গোয়েন্দা ইউনিটও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং অভিযোগের অনুসন্ধান করবে।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিবাজরা আর তাদের কালো টাকা লুকিয়ে রাখতে পারবে না। দুদক নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিট করছে। দুদকের নিজস্ব গোয়েন্দা সদস্যরা তথ্য সংগ্রহ করবেন। এরপর তারা সেগুলো আমাদের দেবেন। আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব। দুর্নীতি করে পার পাওয়ার দিন শেষ।’

কমিশনার বলেন, ‘নির্ভুল অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। আমরা আরও কঠিন হয়েছি। এ কমিশন এরই মধ্যে ৪৫০ জন দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে। নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিট হলে এ সংখ্যা আরও বাড়বে।’

রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দুদকের পরিচালক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান, দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল আজিজ ভুঁইয়া, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান ও রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর এন কে নোমান। স্বাগত বক্তব্য দেন রাজশাহী মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইয়াহিয়া মোল্লা। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দীন। আর অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সাংস্কৃতিক কর্মী মনিরা রহমান মিঠি।

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বগুড়া জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবদুর রহিম ও রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন বক্তব্য দেন। আলোচনা শেষে বিভাগের শ্রেষ্ঠ দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটিগুলোর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

জেলা পর্যায়ে এ বছর রাজশাহী বিভাগে শ্রেষ্ঠ হয়েছে বগুড়া জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি। উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হয়েছে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া কমিটি। রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ হয়েছে রংপুর জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি। এ বিভাগে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাউনিয়া উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি। অনুষ্ঠানে এসব কমিটির সকল সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।